ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক কি? এর বৈশিষ্ট্য, সুবিধা, অসুবিধা

campus-area-network-corporatr-area-network-wizstudy
ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক

ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক কি? এর বৈশিষ্ট্য, সুবিধা, অসুবিধা


আমরা যারা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক সম্পর্কে জানি তাদের জন্য ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক টার্মটি খুব বেশী জটিল কিছু নয়। এটি আসলে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কেরই আরেকটি রূপ। তুমি যদি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কি তা না জানো তাহলে নিচের আর্টিকেলটি পড়তে পারো। সবকিছু পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে।


আরও পড়োঃ লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কি? এর বৈশিষ্ট্য, সুবিধা, অসুবিধা


ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক (CAN) কাকে বলে?


সংজ্ঞাঃ একাধিক প্রতিষ্ঠানের কাজের সমন্বয় সাধন ও গতি বৃদ্ধির জন্য দুই বা ততোধিক ল্যান(LAN) কে পরস্পর সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয় তাকে বলা হয় ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক (Campus Area Network) বলে। একে সংক্ষেপে CAN বলে

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি ক্যাম্পাসের বিল্ডিংয়ে স্থাপিত ল্যান(LAN)-গুলো নিয়ে ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক বা CAN তৈরী করা যেতে পারে।


কর্পোরেট এরিয়া নেটওয়ার্ক (CAN) কি?


ক্যানকে কর্পোরেট এরিয়া নেটওয়ার্ক(Corporate Area Network) ও বলা হয়। ইউনিভার্সিটি কিংবা বড় বড় অফিসে একাধিক LAN এর কাজের সমন্বয় সাধনের জন্য, কিংবা ব্যয়বহুল কোনো ডিভাইস অনেকে একসাথে ব্যবহারের জন্য কর্পোরেট এরিয়া নেটওয়ার্ক (Corporate Area Network) ব্যবহার করা হয়। যেমন:Googleplex এর নেটওয়ার্ক এবং  Microsoft Campus এর নেটওয়ার্ক। 


কিভাবে কর্পোরেট এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরী করা হয়?


ক্যানের বিস্তৃতি ল্যানের চেয়ে বড় এবং  মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক এর চেয়ে ছোট হয়। তবে  ১ থেকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃতি/দূরত্বে ও ক্যান স্থাপন করা যায়।

এই নেটওয়ার্ক তৈরীর জন্য ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে  টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলকো-এক্সিয়াল ক্যাবলঅপটিকাল ফাইবার ক্যাবলরেডিও ওয়েভ ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। ক্যানের ডেটা আদানপ্রদানের স্পিড সাধারনত ল্যানের মতোই হয়। 

আশা করি ক্যান(CAN) কি মোটামুটি বুঝে গেছো। এবার একটা উদাহরণ দেয়া যাক:

মনে করো তুমি একটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ো, যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি স্কুল এবং একটি কলেজ ভবন আছে। তুমি তো আগে থেকে ল্যান(LAN) চেনো। তুমি লক্ষ্য করলে যে এই প্রতিটি ভবনে আলাদা আলাদা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক(LAN)  রয়েছে । কিন্তু এক ভবনের সাথে অন্য ভবনের কোনো সংযোগ নেই। 

এখন একদিন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিলো যে এই প্রতিটি ভবনের মধ্যে একত্রে একটা নেটওয়ার্ক সংযোগ দেবেন। তখন তারা কি করলেন কিছু ক্যাবল তারের মাধ্যমে প্রতিটি ভবনের ল্যানগুলোকে মূল বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের সাথে জুড়ে দিলেন। 

এতে করে পুরো ক্যাম্পাস এরিয়াটি একটি নেটওয়ার্ক এর আওতায় চলে আসলো। এই যে আলাদা আলাদা ভবনে থাকা ল্যান(LAN)-গুলোকে একসাথে যুক্ত করে একটি নেটওয়ার্ক তৈরী করা হলো। এটাই হচ্ছে ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক বা CAN।


এক নজরে ক্যানের সুবিধা/বৈশিষ্ট্যগুলো:


  • ১.এই নেটওয়ার্ক একাধিক ল্যানকে সংযুক্ত করে বলে কাজে গতি পাওয়া যায়।

  • ২.নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ, খুব বেশী ব্যয়বহুলও নয়।

  • ৩.এই নেটওয়ার্কে অনেক বেশী ডিভাইসে অ্যাকসেস পাওয়া যায়।


Post a Comment

Previous Post Next Post