শূন্য বিভক্তি কাকে বলে? শূন্য বিভক্তির উদাহরণ

 

শূন্য বিভক্তি কাকে বলে? শূন্য বিভক্তির উদাহরণ
শূন্য বিভক্তি



আর্টিকেলের শুরুতেই বলে রাখা প্রয়োজন শূন্য বিভক্তি কাকে বলে বা কি? তা জানার পূর্বে তোমার জানা প্রয়োজন, বিভক্তি কি? তোমার যদি বিভক্তি সম্পর্কে ভালোভাবে জানাশোনা না থাকে তাহলে নিচের লিঙ্ক থেকে বিভক্তি সম্পর্কিত আর্টিকেলটি অবশ্যই পড়ে নেবে। আমি এখানেও সংক্ষেপে আলোচনা করবো।

 

শূন্য বিভক্তি কি?


আমরা জানি, বাক্য তৈরীর সময় বাক্যে একটি শব্দের সাথে অন্য শব্দের সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বাক্যে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সাথে যেসব বর্ণ যুক্ত হয় তাদেরকে বিভক্তি বলে। কিন্তু যখন বাক্যে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সাথে কোনো বর্ণ যুক্ত হয়না, তখনই তাকে আমরা বলি শূন্য বিভক্তি। 

যেমনঃ ছাদে বসে মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন। 

এই বাক্যটিতে ছাদে (ছাদ + এ) এখানে ছাদ শব্দটির সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। 
আবার, মা ( মা + ০) এখানে মা শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি। আর কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি বা বিভক্তির প্রয়োজন হয়নি বলেই এই খালি বিভক্তিকে আমরা বলি 'শূন্য বিভক্তি'। শূন্য বিভক্তির সুন্দর একটি সংজ্ঞা আছে। চলো সেটি জেনে নেয়া যাক।

শূন্য বিভক্তি কাকে বলে?


সংজ্ঞাঃ যে বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দকে পদে পরিণত করে কিন্তু নিজে অপ্রকাশিত অবস্থায় থাকে এবং মূল শব্দটির কোন পরিবর্তন ঘটায় না তাকে শূন্য বিভক্তি বলে।


এখন আবার কেউ কেউ দ্বিধায় পড়তে পারো যে, শব্দ আর পদের মধ্যে পার্থক্য কি? আসলে জটিল করলে জটিল হবে সহজ করলে সহজ। আমি তোমাকে একদম সহজ করেই বলিঃ যখন একটি শব্দ বাক্যের বাইরে থাকে তখন সেটি শব্দ। আর যখন শব্দটিকে বাক্যে ব্যবহার করা হয় তখন সেটি পদ। যেমনঃ 'চাঁদ' একটি শব্দ। কিন্তু যখন আমরা বলবো 'চাঁদ অনেক সুন্দর' তখন এখানে চাঁদ শব্দটি পদ হয়ে গেছে।


তবে এটাও সত্যি যে জটিলতা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ জটিলতা থেকেই বৃহৎ এর সৃষ্টি। পরে আমি শব্দ এবং পদের পার্থক্য নিয়ে একটি বিস্তারিত আর্টিকেল দেবো। আর্টিকেলটির লিঙ্ক সরাসরি ইনবক্সে পেতে চাইলে নিজের ফেইসবুক প্রোফাইলের লিঙ্ক আমাদের মেসেঞ্জারে দিয়ে রাখো। পোস্ট লিঙ্ক পৌছে যাবে তোমার ইনবক্সে।

Post a Comment

Previous Post Next Post